প্রজেক্ট: ৯৯ | বাঁশখালীর বন্যার্ত মানুষের পাশে বাতিঘর
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে শুকনো খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে সামাজিক সংগঠন বাতিঘর।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ২০২৬) বেলা ১১টায় বাঁশখালীর মোশারফ আলী মিয়ার বাজার সংলগ্ন মধ্যম ইলিশা গ্রামে ১০৫টি বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে শুকনো খাদ্যসামগ্রী এবং ১৫ জন বয়স্ক ও অসহায় ব্যক্তির হাতে ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়।
এর আগে একই দিন তৈলারদ্বীপ সরকার হাট ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ শোরুমে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানবিক এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আনোয়ারা থানার এসআই জনাব দেলোয়ার ও সরকার হাটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব কাউসার সওদাগর । অনুষ্ঠানে বাতিঘরের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন বাতিঘরের প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন, জনাব কাউছার সওদাগর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন নিয়াজ, মোহাম্মদ মোরশেদ, দিলদার হোসাইন, মোজাইদুল হক সাকিব, মোহাম্মদ ইরফান হোসেন, সাজিদুল ইসলাম ইকবাল, আবদুল খালেক, মোহাম্মদ মুসলেহ উদ্দিন ও মোহাম্মদ রায়হান চৌধুরী। এছাড়া মানবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে অংশ নেয় দুই ক্ষুদে বাতিয়ান—রায়হান বিন জালাল ও রায়হান বিন শওকত।
বন্যার অষ্টম দিনেও বাঁশখালীর অনেক এলাকা এখনো প্লাবিত। দুর্গত মানুষের প্রকৃত অবস্থা জানতে আমরা সামাজিক সংগঠন বাতিঘর-এর স্বেচ্ছাসেবীরা মোশারফ আলী মিয়ার বাজার সংলগ্ন এলাকা ও মধ্যম ইলিশা গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাস্তব প্রয়োজন ও পরিস্থিতি বিবেচনায় সবচেয়ে অসহায় ও প্রয়োজনীয় (নিডি) পরিবারগুলোর মাঝে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই পথচলায় আমাদের অনুপ্রেরণা হয়ে ছিলেন স্থানীয় মানবিক হৃদয়ের মানুষ জনাবা ছকিনা খাতুন। তাঁর আন্তরিক সহযোগিতা প্রমাণ করে—দুর্যোগের সময় মানুষই মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়।
আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা হয়তো সব কষ্ট দূর করতে পারবে না, কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, একটি সহানুভূতির হাত, একটি ভালোবাসার স্পর্শ—বিপর্যস্ত মানুষের মনে নতুন করে বাঁচার সাহস জাগিয়ে তোলে।
একনজরে প্রজেক্টে: ৯৯
সেবা: বন্যার্তের জন্য ভালোবাসার উপহার
সেবাগ্রহীতা: বাঁশখালীর বন্যা আক্রান্ত জনগণ
স্থান: মোশারফ আলী বাজার সংলগ্ন ও মধ্যম ইলিশা, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম
তারিখ: ১৪ জুলাই ২০২৬